নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের ফলাফল কারচুপি এবং ফল ঘোষণার পর বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মারধর ও বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে। দমন-পীড়ন চলতে থাকলে রাজপথে কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন তাঁরা।
রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘শুধু বিরোধী জোট নয়, বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহী প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার কারণেও হামলা, মারধর ও বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। মনে হচ্ছে দেশে যুদ্ধাবস্থা চলছে, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
এনসিপির এই নেতা দাবি করেন, বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী নিহত হয়েছেন এবং এনসিপি যেসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে, সেগুলোর প্রায় সব জায়গায়ই তাদের নেতাকর্মীরা হামলার শিকার হয়েছেন।
অন্তত তিনটি আসনে ফল পরিবর্তনের অভিযোগ তুলে এনসিপি মুখপাত্র দাবি করেন, ঢাকা-৮, পঞ্চগড়-১ ও দিনাজপুর-৫ আসনে এনসিপির প্রার্থীরা এগিয়ে থাকলেও দীর্ঘ সময় ফল আটকে রাখা, একাধিকবার গণনা ও ‘কাটাকাটির’ মাধ্যমে অল্প ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়েছে। এসব আসনে ভোট পুনর্গণনার আবেদন নির্বাচন কমিশনে করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ভোটগ্রহণ শেষে প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা এগিয়ে ছিলেন। পরে হঠাৎ ফলাফলে ‘ট্রানজিশন’ দেখা যায়। কিছু কেন্দ্রে ফল প্রকাশ বিলম্বিত হয় এবং কোথাও কোথাও কেন্দ্র ঘেরাওয়ের ঘটনাও ঘটে। তাঁর অভিযোগ, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে গণনা শেষ হওয়ার পরও ফল প্রকাশ করা হয় গভীর রাতে। ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৫ ও ঢাকা-১৭ আসনের ফল ঘোষণায় ‘অসংগতি’ ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, ‘সারা দেশে বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাইয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে ভোট গণনায় কারচুপি করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে গণভোট প্রসঙ্গেও কথা বলেন এনসিপির মুখপাত্র। তাঁর দাবি, গণভোটে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই গণ রায় বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছাড়া সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়া উচিত নয়।
Reporter Name 





















