নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জন্য আসনটি ছেড়ে দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়াকে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁ বটতলা বাজারে গণসংযোগকালে প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ড. ইকবাল বলেন, জোটের বৃহত্তর স্বার্থে প্রথমে এই আসনটি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আল্লামা মামুনুল হকের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও ভোটের সমীকরণ বিশ্লেষণ করে জোটের কেন্দ্রীয় লিয়াজোঁ কমিটি এবং জেলা-মহানগর নেতারা প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।
তিনি আরও জানান, আল্লামা মামুনুল হক নিজেও এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে প্রার্থী পরিবর্তনের অনুরোধ জানান। এর প্রেক্ষিতেই গত ২৯ জানুয়ারি তাকে পুনরায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ‘ওভার কনফার্ম’ করা হয়।
মাঝপথে প্রার্থী পরিবর্তনের ফলে ভোটারদের মধ্যে যে সাময়িক বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে এখন জোটের সব শরিক ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, এনসিপি নেতা তুহিন মাহমুদ, দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের মুফতি সিরাজুল ইসলাম এবং ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আরিফুল ইসলামসহ জোটের অন্যান্য শরিকরা এখন একযোগে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে ইকবাল হোসেন বলেন, সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষ চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ও টেন্ডারবাজদের রাজনীতি থেকে মুক্তি চায়। সাধারণ ভোটাররা ১২ ফেব্রুয়ারি বিপুল ভোটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করে এই সংস্কৃতির অবসান ঘটাবে।
প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকে জোটের নেতাকর্মীরা পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন। গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় যুবশক্তির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় যুবশক্তির নেতা অনিক খাঁন সিয়াম, সাব্বির আল রাজ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
Reporter Name 























